
Expat Bangla/Expat Guide/Expat Europe
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন: বিদেশিদের ভাষা পরীক্ষায় নতুন শর্ত ও অভিবাসন–আশ্রয় আইনে বড় সংশোধন — সাম্প্রতিক সময়ে ক্রোয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা পরিবর্তন করেছে। শ্রমবাজারে বিদেশির সংখ্যা দ্রুত বাড়ার কারণে দেশটির নিরাপত্তা, ভাষাগত দক্ষতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার বিষয়গুলোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসন আইন, আশ্রয় আইন এবং ভাষা পরীক্ষার নতুন নিয়ম বিদেশিদের জন্য আগের তুলনায় কঠিন হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্রোয়েশিয়ার সমাজে সুসংগঠিত একীকরণের পথ আরও পরিষ্কার করবে।
এই ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন মূলত তিনটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে:
১. দেশটিতে কাজ করতে ইচ্ছুক বিদেশি কর্মী
২. স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারী
৩. আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বা আশ্রয়প্রার্থী ব্যক্তিরা
ভাষা পরীক্ষার নতুন শর্ত অনুযায়ী এখন বিদেশিদের B1 স্তরের পরিবর্তে আরও উন্নত স্তরের ভাষাগত দক্ষতা প্রদর্শন করতে হতে পারে, পাশাপাশি পরীক্ষার ধরন, সময় এবং মূল্যেও এসেছে পরিবর্তন। একইভাবে, অভিবাসন ও আশ্রয় আইনে কঠোর যাচাই–বাছাই, নথিপত্র যাচাই, নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং আবেদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন অংশে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। এর ফলে ক্রোয়েশিয়ায় বসবাস, কাজ, পরিবার পুনর্মিলন এবং দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী নাগরিকত্বের পথে যাত্রায় নতুন করে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন বিদেশিদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করলেও, ভবিষ্যতে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করবে। তাই যারা ক্রোয়েশিয়ায় আসতে চান বা ইতোমধ্যে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য নতুন নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা এখন অত্যন্ত জরুরি।
ক্রোয়েশিয়ায় ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে নতুন ভাষাগত শর্ত কী?
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন এখন সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন প্রক্রিয়ায়, যেখানে বিদেশি কর্মীদের জন্য ভাষাগত শর্ত আরও কঠোর করা হয়েছে। আগে সাধারণত ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ভাষা দক্ষতা বাধ্যতামূলক না থাকলেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন ক্রোয়েশিয়ান ভাষায় মৌলিক থেকে মধ্যম স্তরের দক্ষতা প্রমাণ করা অপরিহার্য হচ্ছে। সরকার মনে করছে, দেশে বাড়তি সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক আসার ফলে কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ, নিরাপত্তা এবং সামাজিক একীকরণ নিশ্চিত করতে এই ভাষাগত শর্ত অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তাই ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের ক্ষেত্রে যে “ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন” এসেছে, তা মূলত বিদেশিদের ভাষা জানাকে বাধ্যতামূলক করে তুলেছে।
নতুন নিয়মের অধীনে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশিদের A2 বা B1 স্তরের ভাষা দক্ষতা প্রদর্শন করতে হচ্ছে, বিশেষ করে যেসব সেক্টরে সরাসরি ক্লায়েন্ট, সহকর্মী বা জনগণের সাথে যোগাযোগ আছে—যেমন সার্ভিস সেক্টর, রিটেইল, হসপিটালিটি, কাস্টমার সাপোর্ট, কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন বা স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কাজ। অর্থাৎ, শুধুমাত্র কর্ম ভিসা পাওয়া নয়, নবায়ন করাও এখন আগের চেয়ে কঠিন, কারণ ভাষাগত সক্ষমতা ছাড়াই আর ওয়ার্ক পারমিট চলমান রাখা সম্ভব হবে না।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীদের হয় সরকার অনুমোদিত ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে, নয়তো অনুমোদিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের ভাষা দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। এই পরীক্ষা সাধারণত চারটি অংশে বিভক্ত: রিডিং, রাইটিং, লিসনিং এবং স্পিকিং। তবে নতুন যে ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন এসেছে, তা হলো পরীক্ষার কঠোরতা ও মূল্য—আগের তুলনায় ফি বেড়েছে এবং পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হচ্ছে আরও কঠোর মানদণ্ডে। এর ফলে অনেক কর্মী, বিশেষ করে যারা অদক্ষ বা আধা-দক্ষ সেক্টরে কাজ করেন, তাদের জন্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া কিছুটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের জন্য এখন নিয়োগকর্তাদেরও প্রার্থীর ভাষাগত দক্ষতা যাচাই করতে হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এমপ্লয়ার কনফারমেশন লেটার দিতে হয়, যাতে উল্লেখ থাকে যে কর্মী ইতোমধ্যে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভাষা ব্যবহার করছেন। যদিও এটি অতিরিক্ত সুবিধা দেয় না, তবে আবেদনকারীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীদের ভাষা শেখানোর জন্য ইন-হাউস ট্রেনিং চালু করার কথাও ভাবছে, কারণ দক্ষ কর্মী ধরে রাখার জন্য ভাষাগত পরিবর্তন এখন বাধ্যতামূলক বাস্তবতা।
এই নতুন নিয়ম শুধু কর্মক্ষেত্রে নয়, ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাস বা দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্স পারমিটের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে। কারণ ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন শুধু ওয়ার্ক পারমিটে সীমাবদ্ধ থাকছে না; আস্তে আস্তে অভিবাসন ও ইন্টিগ্রেশন নীতিমালার সবগুলোতেই ভাষাগত দক্ষতা মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। যারা এখনো দেশে নতুন, তাদের জন্য সময়মতো ভাষা শেখা ভবিষ্যতের আবেদন প্রক্রিয়াকে মসৃণ করবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ভাষাগত শর্ত এখন আর ঐচ্ছিক নয়—বরং বাধ্যতামূলক। তাই যারা ক্রোয়েশিয়ায় কাজ করছেন বা করতে চান, তাদের জন্য এখনই ভাষা শেখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যারা এই নিয়ম সম্পর্কে জানেন না, তারা নবায়নের সময় সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া, ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠান খোঁজা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ।
কোন কোন বিদেশি কর্মীদের জন্য ক্রোয়েশিয়ান ভাষা বাধ্যতামূলক হলো
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে সেই সকল বিদেশি কর্মীদের ওপর, যাদের কাজের ধরন জনসংযোগ, নিরাপত্তা, অথবা সরাসরি যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। নতুন আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও বাস্তবে বেশ কিছু সেক্টরে ক্রোয়েশিয়ান ভাষা জানা এখন বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। সরকার বলছে, বাড়তে থাকা বিদেশি কর্মী নির্ভরতার কারণে কর্মক্ষেত্রে দক্ষ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। তাই কোন কোন বিদেশি কর্মীদের জন্য ক্রোয়েশিয়ান ভাষা বাধ্যতামূলক—এ নিয়ে যে ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন এসেছে, তা প্রকৃতপক্ষে শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে।
প্রথমত, হসপিটালিটি বা সার্ভিস সেক্টরে কাজ করা বিদেশিদের জন্য ভাষা শেখা এখন বাধ্যতামূলক। যেমন রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বার, ক্যাফে, রিসেপশন, কাস্টমার সার্ভিস, ওয়েটার—এসব কাজ সরাসরি মানুষের সাথে কথা বলা এবং সেবা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত। এখানে ক্রোয়েশিয়ান ভাষা না জানলে সঠিক সেবা দেওয়া কঠিন হয়। তাই নতুন আইন অনুযায়ী এই সেক্টরে যারা কাজ করেন, তাদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সময় ভাষা দক্ষতা দেখানো বাধ্যতামূলক হতে পারে।
দ্বিতীয়ত, স্বাস্থ্যখাতের বিদেশি কর্মীরা—যেমন কেয়ারগিভার, নার্সিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, হোম কেয়ার ও বৃদ্ধাশ্রম কর্মী—এদের জন্য ভাষা জানা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় করা হয়েছে। এসব কাজের ক্ষেত্রে রোগীদের সাথে কথা বলা, তাদের সমস্যার বর্ণনা বোঝা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য ক্রোয়েশিয়ান ভাষা অপরিহার্য। এই খাতে বড় পরিসরে বিদেশি নিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভাষা দক্ষতাকে বাধ্যতামূলক করেছে।
তৃতীয়ত, কনস্ট্রাকশন সেক্টরে যারা সুপারভাইজার, টিম লিডার বা নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন, তাদের জন্যও ভাষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কারণ নির্মাণস্থলে নিরাপত্তা নির্দেশনা, সতর্কতা, এবং কর্মীদের পরিচালনার জন্য মৌলিক ভাষা জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এখানে ভুল বোঝাবুঝি হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তাই এই ক্ষেত্রে ভাষা দক্ষতা এখন এক ধরনের নিরাপত্তা নীতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে—যা ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
চতুর্থত, সরকারি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান, স্কুল, ডে-কেয়ার, কিংবা কমিউনিটি সার্ভিসসংক্রান্ত কাজে যারা বিদেশি কর্মী হিসেবে কাজ করতে চান, তাদের জন্য আগে থেকেই ভাষা অপরিহার্য ছিল, তবে এখন এটি আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে। এই সব প্রতিষ্ঠান সামাজিক সেবা, শিক্ষা এবং কমিউনিটি ইন্ট্রাকশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত—ফলে ভাষাগত সক্ষমতা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পঞ্চমত, যারা দীর্ঘমেয়াদি বসবাস বা স্থায়ী রেসিডেন্স পাওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করছেন—তারাও এই নতুন শর্তের আওতায় আসছেন। নতুন নীতি অনুযায়ী শুধুমাত্র চাকরি থাকা নয়, বরং সমাজের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারার জন্য ভাষা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে A2 বা B1 লেভেল বাধ্যতামূলক হতে পারে।
এ ছাড়া বাজার, দোকান, মেইনটেন্যান্স, ক্লিনিং ও সাধারণ শ্রমিক হিসেবে যারা কাজ করেন, তাদের জন্য ভাষা পরীক্ষার শর্ত এখনও পুরোপুরি বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে অনেক কোম্পানি নিজস্ব নীতি অনুযায়ী মৌলিক ভাষা বোঝা বাধ্যতামূলক করছে। আগামিতে এ সেক্টরেও শর্ত কঠোর হতে পারে—যা ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তনের ধারাবাহিক অংশ।
সবশেষে বলা যায়, নতুন নিয়ম দেশের শ্রমবাজারকে আরও সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদ করার জন্য নেওয়া হয়েছে। বিদেশি কর্মীদের জন্য এটি সাময়িকভাবে চ্যালেঞ্জ হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি কাজের সুযোগ, স্থায়ী রেসিডেন্স আবেদন এবং সামাজিক একীকরণ—সবকিছুকেই আরও শক্তিশালী করবে। ক্রোয়েশিয়ান ভাষা পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য:**
https://www.jezikovnik.hr https://www.jezikovnik.hr – বিদেশিদের জন্য অনুমোদিত ভাষা ইনস্টিটিউট ও পরীক্ষার ধরন, স্কোর এবং প্রস্তুতি বিষয়ক তথ্য।
ভাষা দক্ষতা প্রমাণের নিয়ম: পরীক্ষার ধরন ও স্কোর প্রয়োজনীয়তা
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন এখন সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে ভাষা দক্ষতা প্রমাণের নিয়মে, যেখানে বিদেশিদের জন্য পরীক্ষার ধরন, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং স্কোরের প্রয়োজনীয়তা আরও কঠোর করা হয়েছে। আগে ভাষা পরীক্ষা অনেক ক্ষেত্রেই ঐচ্ছিক ছিল, কিন্তু এখন ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন, দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেন্স, পার্মানেন্ট রেসিডেন্স এমনকি কিছু ক্ষেত্রে পরিবার পুনর্মিলন আবেদনের সময়ও ভাষা দক্ষতা প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে। এ কারণেই ভাষা পরীক্ষার নতুন কাঠামোকে “ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রথমত, ভাষা পরীক্ষার ধরন এখন ইউরোপীয় মানদণ্ড CEFR (Common European Framework of Reference) অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এই কাঠামোতে A1, A2, B1, B2, C1, C2—এভাবে মোট ছয়টি স্তর রয়েছে। তবে অভিবাসন সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সাধারণত A2 বা B1 স্তরকেই মূল দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নতুন নিয়মে কিছু নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির বিদেশিদের জন্য B1 বাধ্যতামূলক হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্থায়ী রেসিডেন্স, দীর্ঘমেয়াদি বসবাস কিংবা সংবেদনশীল সেক্টরে চাকরি করেন।
পরীক্ষার ধরনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। পরীক্ষাটি সাধারণত চারটি অংশে বিভক্ত:
১. Listening (শোনা)
২. Reading (পড়া)
৩. Writing (লেখা)
৪. Speaking (মৌখিক পরীক্ষা)
এর প্রত্যেকটি অংশে আলাদা স্কোর রাখতে হয়, এবং একেকটি সেকশনে নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর না পেলে মোট স্কোর ভালো হলেও পরীক্ষায় পাস করা যাবে না। আগে অনেক পরীক্ষায় কেবল রিডিং ও রাইটিং অংশ থাকত বা পরীক্ষার ধরন তুলনামূলক সহজ ছিল। কিন্তু এখন পুরো প্রক্রিয়া আরও মানসম্মত, কঠোর ও পেশাদারভাবে সম্পন্ন হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্কোর প্রয়োজনীয়তা অনেক ক্ষেত্রেই ভিন্ন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়:
— A2 লেভেলের জন্য মোট স্কোরের কমপক্ষে ৫০–৬০% পাওয়া প্রয়োজন।
— B1 লেভেলের ক্ষেত্রে মোট স্কোরের কমপক্ষে ৭০% বা এর বেশি পাওয়া লাগতে পারে, বিশেষ করে moukhik অংশে কম স্কোর হলে পাস নাও করা হতে পারে।
Speaking অংশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা এখানেই পরিমাপ করা যায়। ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তনের নতুন ধাপে স্পিকিং অংশে ন্যূনতম স্কোর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে বিদেশি কর্মীরা মৌলিক কথোপকথন করতে পারেন।
এ ছাড়া পরীক্ষার ফি ও সময়েও এসেছে পরিবর্তন। এখন পরীক্ষার ফি বেড়ে গেছে এবং পরীক্ষার সময়কালও দীর্ঘ হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি কোর্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, বিশেষ করে যারা B1 লেভেলের জন্য আবেদন করছেন। প্রস্তুতি কোর্স সাধারণত ৬০ থেকে ১০০ ঘন্টার হয়।
পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত ১৫–৩০ দিনের মধ্যে প্রদান করা হয়। তবে নতুন প্রশাসনিক নিয়মে যাচাই–বাছাই আরও কঠোর হওয়ায় ফলাফল পেতে একটু বেশি সময় লাগতে পারে—যা অনেক বিদেশির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
সবশেষে বলা যায়, ভাষা পরীক্ষার নতুন নিয়ম বিদেশিদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করলেও এটি দেশের শ্রমবাজারে নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং সামাজিক একীকরণ নিশ্চিত করার অংশ। যারা ক্রোয়েশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদে থাকতে বা স্থায়ী রেসিডেন্স পেতে চান, তাদের জন্য ভাষা শেখা এখন আর বিকল্প নয়—বরং বাধ্যতামূলক বাস্তবতা। এই কারণে ভাষা পরীক্ষার এই কাঠামোকে যথার্থভাবেই “ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন” হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন নিয়মের প্রভাব: বিদেশি শ্রমিক ও নিয়োগদাতাদের জন্য চ্যালেঞ্জ
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন নতুন নিয়মের প্রভাবে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বিদেশি শ্রমিক ও নিয়োগদাতাদের জন্য চ্যালেঞ্জে। বিদেশি কর্মীদের ভাষাগত সক্ষমতা প্রমাণ করা, নতুন অভিবাসন নীতি মেনে চলা এবং ওয়র্ক পারমিট নবায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত পূরণ করা—এসব এখন তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার বলছে, এই কঠোরতা দীর্ঘমেয়াদে শ্রমবাজারকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সুসংগঠিত করবে, কিন্তু প্রাথমিকভাবে এটি বিদেশি কর্মী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্যই চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
প্রথমত, বিদেশি শ্রমিকদের জন্য ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার বাধ্যতামূলক শর্ত একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ। আগের তুলনায় বেশি কঠোর পরীক্ষার ধরন, উচ্চ স্কোরের প্রয়োজনীয়তা এবং মৌখিক অংশে অনিবার্য দক্ষতা—এসব নতুন ধাপ অনেকের জন্য চাপের সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যারা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে এসেছেন বা যারা সীমিত সময়ের জন্য ভাষা শিখেছেন, তাদের জন্য এই নতুন নিয়ম মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়। অনেক কর্মী পুনঃপরীক্ষা দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময় ও অর্থের খরচ বাড়াচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, নিয়োগকর্তাদের জন্য নতুন নিয়ম মানানোও চ্যালেঞ্জ। আগে শুধু কর্মী নিয়োগ করলেই কাজ চলত, কিন্তু এখন তারা নিশ্চিত করতে হবে যে প্রতিটি কর্মী নির্ধারিত স্তরের ভাষাগত সক্ষমতা রাখে। এটি বিশেষত ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্য ঝামেলা বাড়াচ্ছে, কারণ অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন ট্রেনিং, কোর্স বা পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনিক কাজও বেড়ে গেছে—ভর্তি ফর্ম, ভাষা সার্টিফিকেট যাচাই, আবেদনপত্র পূরণ এবং সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চাপ নতুন নিয়মে বেড়ে গেছে।
তৃতীয়ত, নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় আইনের শর্তও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিদেশি কর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন নথি, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা যাচাই—এসব এখন বাধ্যতামূলক। এর ফলে অভিবাসনের সময়কাল বেড়ে গেছে এবং প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চতুর্থত, শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী বসবাস বা রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার সম্ভাবনাও নতুন নিয়মের কারণে প্রভাবিত হচ্ছে। ভাষা পরীক্ষায় ফেল বা প্রয়োজনীয় নথি অনুপস্থিত থাকলে আবেদন বাতিল বা স্থগিত হতে পারে। এটি শ্রমিকদের জন্য মানসিক চাপ এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
পঞ্চমত, কর্মক্ষেত্রে কার্যকর যোগাযোগ এবং দলের মধ্যে সমন্বয়ও নতুন নিয়মে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। যারা আগে শুধু মৌলিক কাজের দক্ষতায় কাজ করতেন, তাদের এখন ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত সময় ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানি নিজস্ব ভাষা কোর্স আয়োজন করছে, কিন্তু তা সবকিছু সমাধান করতে পারছে না।
সংক্ষেপে, নতুন নিয়ম বিদেশি শ্রমিক ও নিয়োগদাতাদের জন্য প্রাথমিকভাবে চ্যালেঞ্জ তৈরি করলেও, ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ, দক্ষ এবং সামাজিকভাবে সমন্বিত শ্রমবাজার গঠন। যারা সময়মতো প্রস্তুতি নেবেন, ভাষা দক্ষতা অর্জন করবেন এবং প্রয়োজনীয় নথি ঠিকভাবে জমা দেবেন, তাদের জন্য এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে সুবিধাজনক হবে। আর যারা প্রস্তুতি নেবেন না, তাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে যাবে।
কিভাবে দ্রুত ক্রোয়েশিয়ান ভাষা শিখবেন: কার্যকর টিপস ও রিসোর্স
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন ভাষাগত শর্তে যে নতুন বাধ্যবাধকতা এসেছে, তা পূরণ করতে বিদেশি কর্মীদের জন্য দ্রুত ক্রোয়েশিয়ান ভাষা শেখা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব নয়। সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর টিপস এবং মানসম্মত রিসোর্স ব্যবহার করলে বিদেশিরা তুলনামূলক কম সময়ে ভাষা দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। এখানে কিছু কার্যকর টিপস ও রিসোর্স তুলে ধরা হলো, যা ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তনের নতুন নিয়ম মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
প্রথমত, নিয়মিত ভাষা অনুশীলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অন্তত ৩০–৬০ মিনিট ক্রোয়েশিয়ান পড়া, লেখা, শোনা এবং বলা অভ্যাস করুন। নিয়মিত চর্চা না করলে ভাষা দক্ষতা দ্রুত অর্জন করা কঠিন হবে।
দ্বিতীয়ত, স্থানীয় কোর্স বা ক্লাসে ভর্তি হওয়া দ্রুত শেখার অন্যতম কার্যকর উপায়। সরকার অনুমোদিত ভাষা ইনস্টিটিউট বা কলেজের কোর্সে ভর্তির মাধ্যমে structured শেখার সুযোগ পাওয়া যায়। এই কোর্সগুলো সাধারণত CEFR লেভেলের সাথে মিলিয়ে পরিচালিত হয়, যেমন A2 বা B1, যা ওয়ার্ক পারমিট ও রেসিডেন্সের জন্য প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করুন। Duolingo, Babbel, Memrise বা Mondly এর মতো অ্যাপস দিয়ে নিজের গতিতে শেখা সম্ভব। এছাড়া YouTube চ্যানেল, পডকাস্ট এবং ভাষা শেখার ওয়েবসাইটগুলোও খুব কার্যকর। এগুলো বিশেষ করে Listening এবং Speaking স্কিল উন্নত করতে সাহায্য করে।
চতুর্থত, লোকাল কমিউনিটি বা ভাষা এক্সচেঞ্জে অংশগ্রহণ করুন। স্থানীয় বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী বা ভাষা এক্সচেঞ্জ গ্রুপের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ান ভাষায় কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সরাসরি কথা বলার অভিজ্ঞতা ভাষা শেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত ফল দেয়।
পঞ্চমত, ভাষা শেখার সময় বাস্তব জীবন ব্যবহার করুন। দোকান, রেস্তোরাঁ, বাজার বা সরকারি অফিসে ক্রোয়েশিয়ান ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। সাধারণ কথোপকথন, জিনিসের নাম, সংখ্যা এবং নির্দেশাবলী জানার মাধ্যমে শেখা দ্রুত হয়।
ষষ্ঠত, শব্দভান্ডার বৃদ্ধি করুন এবং ছোট নোট রাখুন। নতুন শব্দগুলো লিখে রাখুন এবং প্রতিদিন রিভিউ করুন। শব্দভান্ডার ভালো হলে রিডিং ও রাইটিং অংশে সুবিধা হয়।
সপ্তমত, মৌখিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্বরচিত ডায়ালগ চর্চা করুন। নিজের ভাষা কণ্ঠে উচ্চারণ শুদ্ধ করার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ভাষা পরীক্ষার Speaking অংশে প্রস্তুতি দিতে এটি অপরিহার্য।
অষ্টমত, প্রস্তুতি পরীক্ষা দিন। পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র বা অনলাইন মক টেস্ট ব্যবহার করে পরীক্ষার ফরম্যাট বোঝার চেষ্টা করুন। এটি পরীক্ষার চাপ কমাতে এবং পাস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে সাহায্য করে।
নবমত, সমন্বিত শেখার পদ্ধতি ব্যবহার করুন। একসাথে কোর্স, অ্যাপ, প্র্যাকটিস গ্রুপ ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা মিশিয়ে শেখা সবচেয়ে কার্যকর।
দশমত, মনোবল বজায় রাখুন এবং ধৈর্য ধরুন। ভাষা শেখা একদিনে সম্ভব নয়, তবে নিয়মিত চর্চা ও পরিকল্পিত শেখার মাধ্যমে সফল হওয়া যায়।
সংক্ষেপে, ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তনের নতুন ভাষাগত শর্ত মানিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সঠিক রিসোর্স ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। যারা এগুলো মেনে চলবেন, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ভাষা দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন এবং ওয়ার্ক পারমিট বা স্থায়ী রেসিডেন্সের প্রক্রিয়া সহজ করতে পারবেন।
অভিবাসন আইন
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন শুধু ভাষাগত শর্তে সীমাবদ্ধ নেই; অভিবাসন আইনে নতুন সংশোধনও বিদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। এই নতুন পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সুরক্ষিত এবং কার্যকর করা। নতুন নিয়মের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া, যাচাই-বাছাই এবং স্থায়ী বসবাসের শর্ত আরও কঠোর ও সুসংগঠিত হয়েছে। ফলে যারা ক্রোয়েশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি বসবাস, কাজ বা পরিবার পুনর্মিলনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই আইন জানা এবং মানা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
নতুন প্রস্তাবিত আইন: বিদেশিদের জন্য কী পরিবর্তন আসছে
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন অভিবাসন আইনের নতুন প্রস্তাবিত ধাপে বিদেশিদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। নতুন আইন মূলত দেশটির অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদ করার লক্ষ্যে গৃহীত। এর ফলে বিদেশিরা ও নিয়োগকর্তারা আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রস্তুতি এবং শর্ত মানতে বাধ্য হচ্ছেন।
প্রথমত, নতুন প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী বিদেশিরা ক্রোয়েশিয়ায় কাজ বা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের জন্য আবেদন করার সময় অতিরিক্ত নথি ও যাচাই-বাছাই পূরণ করতে হবে। আগের তুলনায় আবেদনপত্রের সাথে আরও বিস্তারিত তথ্য, যেমন পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা সার্টিফিকেট এবং ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণ জমা দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, ওয়ার্ক পারমিট এবং রেসিডেন্স পারমিট নবায়নের প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়েছে। বিদেশিরা শুধু চাকরি থাকা অবস্থায় নয়, বরং প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে বাধ্য। উদাহরণস্বরূপ, ভাষা পরীক্ষার ফলাফল, স্বাস্থ্য বীমা, এবং নিরাপত্তা যাচাই আজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রোয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ ও শ্রমবাজার তথ্য:**
https://www.hzz.hr https://www.hzz.hr – বিদেশি কর্মীদের জন্য চাকরি, ওয়র্ক পারমিট প্রক্রিয়া এবং নিয়োগকর্তাদের নির্দেশিকা।
তৃতীয়ত, নতুন আইন পরিবার পুনর্মিলন ও অভ্যন্তরীণ অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। এখন বিদেশির পরিবারের সদস্যদেরও নির্দিষ্ট ভাষাগত দক্ষতা এবং প্রয়োজনীয় নথি প্রদর্শন করতে হতে পারে, যা আগের তুলনায় বেশি জটিল।
চতুর্থত, নিরাপত্তা ও সামাজিক একীকরণের দিকে নজর রেখে জরুরি অবস্থায় আবেদন বাতিলের বা স্থগিতের শর্ত আরও সুস্পষ্ট করা হয়েছে। এর ফলে বিদেশিরা তাদের অবস্থান এবং কাজের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।
সবশেষে, নতুন প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী স্থায়ী রেসিডেন্স এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা হয়েছে। শুধু দীর্ঘমেয়াদি বসবাস নয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং ভাষাগত সক্ষমতার মূল্যায়নেও এবার বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংক্ষেপে, এই নতুন প্রস্তাবিত আইন বিদেশিদের জন্য আগের তুলনায় কঠোর ও বিস্তারিত নিয়ম আনছে। যারা ক্রোয়েশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি বসবাস, কাজ বা পরিবার পুনর্মিলনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া এখন অপরিহার্য। **ক্রোয়েশিয়ার সরকারি অভিবাসন ওয়েবসাইট:**
[https://mup.gov.hr](https://mup.gov.hr) – এখানে আপনি ভিসা, রেসিডেন্স পারমিট, ওয়ার্ক পারমিট এবং নতুন অভিবাসন নীতির তথ্য পাবেন।
আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়মে বড় ধরনের সংশোধন কী হতে পারে
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন শুধু কর্মী ও অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়মেও সরকার বড় ধরনের সংশোধন আনতে চলেছে। নতুন নীতিমালার লক্ষ্য হলো আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, দ্রুত এবং সুরক্ষিত করা, একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক একীকরণ নিশ্চিত করা।
প্রথমত, নতুন নিয়ম অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন যাচাই ও প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হবে। এখন আবেদনপত্রের সাথে অতীত জীবন ও দেশসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, পরিচয়পত্র, এবং নিরাপত্তা যাচাই সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হতে পারে। আগের তুলনায় এই ধাপটি অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ এবং নির্ভুল তথ্য প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, ভাষাগত দক্ষতা ও সামাজিক একীকরণের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে। আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য স্থানীয় ভাষা শেখা এবং সামাজিক আচরণ বা নিয়মাবলীর সঙ্গে পরিচিত হওয়া বাধ্যতামূলক ধাপে ধাপে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এতে তারা দ্রুত স্থানীয় সমাজে মানিয়ে নিতে সক্ষম হবে।
তৃতীয়ত, নতুন আইন আশ্রয়প্রার্থীদের বসবাসের অনুমোদন ও সুবিধা শর্ত আরও কঠোর করবে। অর্থাৎ, আবেদনের অনুমোদন পেতে স্বাস্থ্য বীমা, অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা, এবং আবাসন সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। আগের তুলনায় শুধু আবেদন দেওয়া যথেষ্ট হবে না, বরং নিয়মিত যাচাই-বাছাই ও শর্ত পূরণ দেখাতে হবে।
চতুর্থত, জরুরি পরিস্থিতিতে আবেদন বাতিল বা স্থগিতের শর্ত আরও সুস্পষ্ট করা হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য বা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কারণে আবেদন বাতিল হওয়ার সুযোগ আইনতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হবে।
পঞ্চমত, দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও স্থায়ী রেসিডেন্সের জন্য শর্ত কঠোর হবে। আশ্রয়প্রার্থীরা শুধুমাত্র মানবিক কারণে বসবাস নয়, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশকে অবদান রাখতে সক্ষম কিনা সেটিও বিবেচনা করা হবে।
সংক্ষেপে, আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়মে নতুন সংশোধন বিদেশিদের জন্য আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুতি ও সচেতনতা দাবি করছে। ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন হিসেবে এই আইন দেশে নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং সামাজিক একীকরণ নিশ্চিত করবে, তবে প্রাথমিকভাবে আশ্রয়প্রার্থী ও প্রশাসনের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
ভিসা, রেসিডেন্স ও ওয়ার্ক পারমিট নিয়মে সম্ভাব্য কঠোরতা
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন নতুন অভিবাসন আইনে ভিসা, রেসিডেন্স ও ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত নিয়মে সম্ভাব্য কঠোরতা নিয়ে এসেছে। সরকার বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী এবং স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত এবং সুরক্ষিত করতে চাইছে। এই পরিবর্তন মূলত দেশটিতে বিদেশি বসবাস ও শ্রমবাজারকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্যবস্তু।
প্রথমত, ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠোর ও যাচাই-বাছাইপূর্ণ হবে। আগের তুলনায় বিদেশি আবেদনকারীদের জন্য অতিরিক্ত নথি, পরিচয়পত্র এবং আগের ভিসা ইতিহাস জমা দিতে হতে পারে। এছাড়া, আবেদনকারীর দেশে অবস্থানের উদ্দেশ্য, চাকরি বা শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যও আরও বিস্তারিত যাচাই করা হবে।
দ্বিতীয়ত, রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন প্রক্রিয়া কঠোর হবে। বিদেশি কর্মীদের জন্য শুধু চাকরি থাকা যথেষ্ট হবে না, বরং ওয়ার্ক পারমিট, স্বাস্থ্য বীমা, ভাষাগত সক্ষমতা এবং সামাজিক সংযুক্তি দেখানো বাধ্যতামূলক হবে। যারা নিয়ম মানতে ব্যর্থ হবে, তাদের নবায়ন স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
তৃতীয়ত, ওয়ার্ক পারমিটের জন্য নতুন শর্ত আরোপ করা হবে। বিদেশি কর্মীদের জন্য ক্রোয়েশিয়ান ভাষা দক্ষতা এবং নির্দিষ্ট স্কিল বা অভিজ্ঞতা প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক হতে পারে। আগের তুলনায় পরীক্ষার ধরন, স্কোর এবং কাগজপত্র যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে।
চতুর্থত, পরিবার পুনর্মিলন এবং স্থায়ী বসবাসের শর্ত কঠোরতর হবে। বিদেশি কর্মী ও শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদেরও ভাষাগত দক্ষতা এবং প্রয়োজনীয় নথি প্রদর্শন করতে হতে পারে। এতে পরিবার পুনর্মিলনের আবেদন প্রক্রিয়া আগের তুলনায় দীর্ঘ ও কঠিন হতে পারে।
পঞ্চমত, জরুরি পরিস্থিতিতে আবেদন বাতিল বা স্থগিতের শর্ত আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য বা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কারণে ভিসা, রেসিডেন্স বা ওয়ার্ক পারমিট বাতিলের সুযোগ আগের তুলনায় বেশি সুস্পষ্টভাবে আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংক্ষেপে, নতুন আইন ভিসা, রেসিডেন্স এবং ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া কঠোর করার মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়ায় বিদেশি বসবাস এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে। এটি প্রাথমিকভাবে বিদেশিদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে দেশের শ্রমবাজার ও সামাজিক একীকরণকে আরও শক্তিশালী করবে।
আইন পরিবর্তনের ফলে নিয়োগদাতা ও বিদেশি কর্মীদের প্রভাব
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন নতুন অভিবাসন আইন অনুযায়ী নিয়োগদাতা ও বিদেশি কর্মীদের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। নতুন নিয়মের লক্ষ্য হলো শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে প্রাথমিকভাবে এটি উভয় পক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
প্রথমত, নিয়োগদাতাদের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী তারা নিশ্চিত করতে হবে যে প্রতিটি কর্মী নির্ধারিত ভাষাগত দক্ষতা, শংসাপত্র এবং অন্যান্য নথি সরবরাহ করছে। কিছু ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তাকে নিশ্চিত করতে হতে পারে যে কর্মী পরীক্ষা বা ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এটি ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্য অতিরিক্ত ব্যয় ও সময়ের চাপ তৈরি করছে।
দ্বিতীয়ত, বিদেশি কর্মীদের জন্য প্রস্তুতির চাপ বেড়েছে। নতুন শর্ত অনুযায়ী ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন, ভাষা দক্ষতা প্রদর্শন, স্বাস্থ্য বীমা এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। যারা এই শর্ত পূরণ করতে পারবে না, তাদের নবায়ন স্থগিত বা বাতিল হতে পারে। ফলে কর্মীরা মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।
তৃতীয়ত, যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ খরচ বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীদের জন্য ভাষা কোর্স বা ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করতে বাধ্য হচ্ছে। এটি কোম্পানির জন্য অতিরিক্ত খরচ হলেও কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সহায়ক।
চতুর্থত, পরিবার পুনর্মিলন ও স্থায়ী বসবাস প্রভাবিত হচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হতে পারে। এতে পরিবার পুনর্মিলন প্রক্রিয়া আগের তুলনায় জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়েছে। আশ্রয় ও মানবিক সহায়তার তথ্য:**
https://www.acs.hr https://www.acs.hr – আশ্রয়প্রার্থী এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম, আবেদন প্রক্রিয়া এবং সহায়তা কেন্দ্র।
পঞ্চমত, দীর্ঘমেয়াদি কর্মী ধরে রাখার কৌশল পরিবর্তন। নিয়োগকর্তাদের এখন নিশ্চিত করতে হবে যে কর্মীরা নিয়ম মানছেন এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করছেন। এর ফলে কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া আরও পরিকল্পিত ও কঠোর হতে বাধ্য হচ্ছে।
সংক্ষেপে, ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন নতুন আইন অনুযায়ী নিয়োগদাতা ও বিদেশি কর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে যারা আগেভাগে প্রস্তুতি নেবেন, ভাষা শেখার পরিকল্পনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় নথি ঠিকভাবে জমা দেবেন, তাদের জন্য এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে সুবিধাজনক এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।
নতুন নীতির সম্ভাব্য সময়সীমা ও কার্যকর হওয়ার ধাপ
ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন নতুন অভিবাসন নীতির প্রবর্তনের সময়সীমা ও কার্যকর হওয়ার ধাপ নিয়ে বিদেশিদের মধ্যে জিজ্ঞাসা তৈরি হয়েছে। সরকার এই নীতি ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে, যাতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি, বিদেশি কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের মানিয়ে নেওয়ার সময় পাওয়া যায়।
প্রথম ধাপ হিসেবে নতুন নীতি প্রকাশ ও পরামর্শ গ্রহণ পর্যায়ে থাকবে। সরকার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার, যেমন বিদেশি কর্মী সংগঠন, নিয়োগকর্তা সমিতি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করবে। এ ধাপটি সাধারণত ৩–৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
দ্বিতীয় ধাপ হলো আইন প্রণয়ন ও অনুমোদন। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নতুন নিয়মকে আইনি রূপ দেবে এবং সংসদে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করবে। অনুমোদনের পরেই নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ধাপটি সাধারণত ৬–৯ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
তৃতীয় ধাপে পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি শুরু হবে। বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীকে নতুন শর্ত, ভাষা পরীক্ষা, নথিপত্র এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হবে। নিয়োগকর্তাদের জন্যও ট্রেনিং ও নির্দেশিকা প্রদান করা হবে।
চতুর্থ ধাপ হলো ধাপে ধাপে কার্যকর করা। প্রথমে নতুন নিয়ম কয়েকটি নির্দিষ্ট সেক্টরে প্রয়োগ করা হবে, যেমন উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ সেক্টর বা বড় কোম্পানি। এরপর ধীরে ধীরে সব সেক্টরে এটি বিস্তৃত হবে। এই পদ্ধতি নিশ্চিত করবে যে সকল প্রার্থী ও প্রতিষ্ঠান নতুন নিয়ম মেনে চলার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।
পঞ্চম ধাপ হলো পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর সরকারের অভিবাসন বিভাগ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে, সমস্যাগুলি চিহ্নিত করবে এবং প্রয়োজনমতো সংশোধন আনবে।
সংক্ষেপে, নতুন নীতি ধাপে ধাপে কার্যকর হবে, যা বিদেশি কর্মী, আশ্রয়প্রার্থী এবং নিয়োগকর্তাদের জন্য মানিয়ে নেওয়ার সময় নিশ্চিত করবে। যদিও প্রাথমিকভাবে এটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে, তবে ক্রোয়েশিয়ায় বড় পরিবর্তন হিসেবে এটি দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং দক্ষ শ্রমবাজার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



